আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ভেঙে পড়ার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আগে থেকেই উত্তেজনাপূর্ণ এই অঞ্চল এখন আরও অস্থির হয়ে উঠেছে।
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দীর্ঘ বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স স্বীকার করেন, দুই পক্ষের মতপার্থক্য এতটাই গভীর যে আপাতত সমাধানের কোনো পথ খুঁজে পাওয়া যায়নি। কোনো সমঝোতা ছাড়াই উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদল বৈঠক শেষ করে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে গেছে।
এদিকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন নির্দেশনা। তিনি হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধের ঘোষণা দিয়ে সতর্ক করেছেন, ইরানকে সহায়তা করা যেকোনো জাহাজ আটক করা হবে। পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক হুমকিও দিয়েছেন তিনি।
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে সাধারণ মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে। দোহা, তেল আবিব, তেহরান ও আবুধাবিতে বসবাসকারী অনেকেই সম্ভাব্য যুদ্ধ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, সাম্প্রতিক পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে এবং যেকোনো সময় বড় সংঘাতে রূপ নিতে পারে।
এরই মধ্যে সৌদি আরব জানিয়েছে, সাম্প্রতিক হামলার পর তাদের জ্বালানি স্থাপনাগুলো পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, আলোচনা ভেঙে যাওয়ার ফলে কূটনৈতিক সমাধানের পথ সংকুচিত হয়েছে। এতে শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তার ওপরও বড় প্রভাব পড়তে পারে।


