নিজ নির্বাচনী এলাকা সোনাগাজী-দাগনভূঞায় (ফেনী-৩) সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি এবং যে কোনো অনিয়ম বন্ধে হটলাইন ও ওয়েবসাইটে অভিযোগের ব্যবস্থা চালু করেছেন পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। গত ২০ ফেব্রুয়ারি এই হটলাইন ও ওয়বসাইট চালু হয়। এরপর গত ছয় দিনে ওয়েবসাইটে ১৭০টি অভিযোগ জমা পড়েছে। একই সঙ্গে হটলাইন নম্বরে অসংখ্য ফোনকল পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
গত মঙ্গলবার নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন তথ্য জানান মন্ত্রী মিন্টু। তিনি জানান, ওয়েবসাইট ও হটলাইন খোলার পর থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত মানুষ অনলাইনে ১৬৭টি এবং বুধবার তিনটিসহ ছয় দিনে ১৭০টি অভিযোগ করেছেন। এ ছাড়া অসংখ্য ফোনকল পেয়েছি। এতে প্রমাণ হয়েছে– আপনারা পরিবর্তন চান। প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে সমাধান করতে আমরা বদ্ধপরিকর। একই পোস্টে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া হটলাইনে ফোন না করার অনুরোধ জানিয়ে দ্রুত সমাধানের স্বার্থে অভিযোগ ওয়েবসাইটে দাখিল করার আহ্বান জানান আবদুল আউয়াল মিন্টু।এর আগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রাতে ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে মন্ত্রী জানান, ফেনী-৩ এলাকাকে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও যে কোনো ধরনের অনিয়ম থেকে মুক্ত রাখতে তিনি বদ্ধপরিকর। একটি নিরাপদ ও সুন্দর সমাজ গড়তে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির কথা উল্লেখ করে একটি হটলাইন নম্বরও প্রকাশ করেন; যেখানে সরাসরি অভিযোগ জানানো যাবে। হটলাইন নম্বর ০১৭৩০০০৪৮৪৪। অথবা অনলাইনে অভিযোগ করতে www.aamintoo.com ওয়েবসাইটে ভিজিট করা যাবে।
চাঁদার জন্য ইউপি চেয়ারম্যানকে হুমকির অভিযোগ চাঁদার দাবিতে ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার ৪ নম্বর দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গত ২৩ ফেব্রুয়ারি উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি সেকেন্দার আলীসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত ৮-৯ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি। এ ছাড়া ঘটনার প্রতিকার চেয়ে গত মঙ্গলবার উপজেলার আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিষয়টি তুলে ধরেন আবুল কালাম আজাদ।
অভিযোগে চেয়ারম্যান দাবি করেন, আসামিরা তাঁর কাছে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করেছে। না দিলে তাঁকে পরিষদের কার্যালয়ে বসতে না দেওয়ার জন্যও শাসিয়েছে। গত ২২ ফেব্রুয়ারি ইউনিয়ন পরিষদে সেকেন্দার আলীর নেতৃত্বে লোকজন তাঁকে কার্যালয় থেকে বের হয়ে যেতে বলে। গালাগালসহ নানা হুমকি-ধমকিও দেয়। পরে ওইদিন বিকেলেই তারা উপজেলার রিশখালী বাজারে তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করে।
চেয়ারম্যান আবুল কালামের ভাষ্য
অভিযোগ অস্বীকার করে সেকেন্দার আলী দাবি করেন, নির্বাচনে ওই চেয়ারম্যান ধানের শীষের বিপক্ষে ভোট করেছেন। এ জন্য আমরা তাঁর কাছে কারণ জানতে গিয়েছিলাম। কোনো হুমকি কিংবা চাঁদা দাবির কথা ঠিক না।
হরিণাকুণ্ডু থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া হাসান বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

