১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
|
পূর্বাহ্ণ ০৫:০৯, ৩০ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতের চণ্ডীগড়ে নতুন আবগারি নীতির আওতায় পেট্রোল পাম্প ও ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে মদ বিক্রির সুযোগ চালু করা হয়েছে। এর ফলে শহরবাসীর জন্য অ্যালকোহল কেনা আরও সহজ হবে। আগে যেখানে নির্দিষ্ট মদের দোকানের ওপর নির্ভর করতে হতো, এখন সেই সীমাবদ্ধতা শিথিল হচ্ছে।

চণ্ডীগড়ের ডেপুটি কমিশনার নিশান্ত কুমার যাদব জানান, নির্দিষ্ট কিছু পেট্রোল পাম্প ও বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোর এই সুবিধা পাবে। তবে লাইসেন্স পেতে হলে কঠোর শর্ত পূরণ করতে হবে। যেসব প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক জিএসটি টার্নওভার ৩ কোটি রুপির বেশি, কেবল তারাই সেকশন ১০বি-এর অধীনে লাইসেন্স পাবে। প্রশাসনের মতে, এই উদ্যোগ শহরের মদ বিক্রির ব্যবস্থাকে আধুনিক করার অংশ। আন্তর্জাতিক মানের খুচরা বিপণনের ধাঁচ অনুসরণ করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে বিশেষ করে নারী ও প্রবীণ ক্রেতাদের জন্য কেনাকাটা আরও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ হবে, কারণ অনেকেই প্রচলিত মদের দোকানে যেতে অস্বস্তি বোধ করেন।

বর্তমানে চণ্ডীগড়ে পেট্রোল পাম্পের ভেতরে বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোর না থাকলেও ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান চালু হলে এবং নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে তারা লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবে। একই নিয়ম স্বতন্ত্র পেট্রোল পাম্পের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। এছাড়া মদের দোকানগুলোর খোলার সময় বাড়িয়ে রাত ১২টা পর্যন্ত করা হয়েছে, যা আশপাশের রাজ্যগুলোর সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রশাসন জানিয়েছে, বর্তমানে মাত্র চারটি মদের দোকান এখনো নিলামে ওঠেনি এবং ১ এপ্রিলের মধ্যে সবগুলো চালু করার চেষ্টা চলছে।

নতুন নীতিতে লাইসেন্স পেতে আগ্রহীদের সম্ভাব্য বার্ষিক আয়ের ১৭ শতাংশ অগ্রিম জমা দেওয়ার শর্ত রাখা হয়েছে। এতে লাইসেন্সধারীদের দায়বদ্ধতা বাড়বে এবং মাঝপথে চুক্তি বাতিলের ঝুঁকি কমবে।

এই নীতিমালার ফলে ইতোমধ্যে ইতিবাচক আর্থিক প্রভাব পড়েছে। সাম্প্রতিক বরাদ্দ থেকে প্রশাসন অতিরিক্ত ১৫০ কোটি টাকা রাজস্ব অর্জন করেছে। সব মিলিয়ে, নতুন এ ব্যবস্থা ভোক্তা সুবিধা, নিয়ন্ত্রণ ও রাজস্ব বৃদ্ধির মধ্যে ভারসাম্য আনার একটি উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। খবর এনডিটিভি

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version