পরাধীনতার শিকল ভেঙে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের ৫৫ বছর পূর্তি আজ। ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সারা দেশে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করা হচ্ছে।
১৯৭১ সালের এই দিনে বাঙালি জাতি স্বাধীনতার দৃপ্ত শপথ নেয়। ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ এবং অসংখ্য মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশ। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণীতে জাতিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ঐক্য, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রত্যুষে তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়েছে। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবার ও সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা জানান।
জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ ও ফ্লাইপাস্ট, সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ রয়েছে নানা আয়োজন। রাজধানীসহ দেশের সব জেলা-উপজেলায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে।
এদিন জাতি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে স্বাধীনতার মহান বীর সন্তানদের।


