১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
|
পূর্বাহ্ণ ০৪:১৪, ৩০ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজ ১৫ আগস্ট, বাঙালি জাতির স্থপতি ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদতবার্ষিকী। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বর সড়কের বাসভবনে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্যের হাতে সপরিবারে নিহত হন বঙ্গবন্ধু।

​ইতিহাসের নির্মম হত্যাকাণ্ড

​১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে ঘাতকদের নির্মম বুলেট থেকে রক্ষা পাননি বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব, তিন পুত্র—শেখ কামাল, শেখ জামাল ও ১০ বছরের শিশু শেখ রাসেল, এবং পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল। এছাড়াও সেদিন শহিদ হন বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের, ভাগনে যুবনেতা শেখ ফজলুল হক মণি ও তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাতসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্য ও নিকটাত্মীয়রা। এমনকি বঙ্গবন্ধুর প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল জামিল উদ্দিন আহমেদ ও পুলিশ কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমানও সেদিন ঘাতকদের গুলিতে নিহত হন। সে সময় বিদেশে (জার্মানিতে) থাকায় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।

​পরিবর্তিত প্রেক্ষাপট ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা

​২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ১৫ আগস্টের সরকারি ছুটি ও জাতীয় শোক দিবসের রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি বাতিল করে। তবে দিনটিকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ কমপ্লেক্স ও এর আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version