আশা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত পারেনি Real Madrid। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে Bayern Munich-এর কাছে ৪-৩ গোলে হেরে যায় লস ব্লাঙ্কোসরা। দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৪ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে বাভারিয়ানরা।
অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর পথে থাকা ম্যাচে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা। তার বিদায়ের পর শেষ মুহূর্তে টানা দুই গোল হজম করে রিয়াল, ফলে প্রত্যাবর্তনের সব আশা ভেঙে যায়। ম্যাচে প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলতে পারেননি ব্রাজিলিয়ান তারকা Vinícius Júnior।
নাটকীয় এই বিদায়ের পর আরেকটি ঘটনা নজর কেড়ে নেয়। ম্যাচ শেষে রিয়াল মাদ্রিদের টিম বাস Vinícius Júnior-কে রেখেই অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনা ছেড়ে যায়। কারণ, ম্যাচ শেষে র্যান্ডম অ্যান্টি-ডোপিং পরীক্ষার জন্য তাকে নির্বাচন করা হয়। পরীক্ষা প্রক্রিয়া দীর্ঘ হওয়ায় ক্লাবের লজিস্টিকস টিম মূল বাসটি বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দেয় এবং পরে আলাদা গাড়িতে যোগ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি, তবে FIFA-এর কঠোর অ্যান্টি-ডোপিং নীতির কারণেই এমনটি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড়ই ডোপিং পরীক্ষা এড়িয়ে যেতে পারেন না।
নিষিদ্ধ ওষুধ সেবনের প্রমাণ মিললে কয়েক মাস থেকে আজীবন নিষেধাজ্ঞা পর্যন্ত হতে পারে। ইচ্ছাকৃতভাবে পারফরম্যান্স বাড়ানোর জন্য নিষিদ্ধ পদার্থ গ্রহণ করলে সাধারণত চার বছরের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। অনিচ্ছাকৃত হলেও দুই বছর পর্যন্ত সব ধরনের ফুটবল কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
শুধু নিষিদ্ধ পদার্থ নয়, ডোপিং কর্মকর্তার নির্দেশ অমান্য করা, পরীক্ষা দিতে অস্বীকৃতি জানানো বা সঠিক তথ্য না দেওয়ার মতো অপরাধেও শাস্তি হতে পারে। এমনকি নিষিদ্ধ পদার্থ সরবরাহ, অন্যকে নিয়ম ভাঙতে উৎসাহ দেওয়া বা প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের মতো গুরুতর অপরাধে আজীবন নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হতে পারে।

